রামগতিতে একসনা বন্দোবন্তের নামে ১৭ লাখ টাকা ঘুষ নেয়ার অভিযোগ সার্ভেয়ারের বিরুদ্ধে
মোখলেছুর রহমান ধনু
কমলনগর-রামগতি (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি :
লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে জমিদারহাট বাজারের একসনানথির নামে ১৭ লাখ টাকা ঘুষ নেয়ার অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে। সাম্প্রতিক জমিরহাট কাঁচাবাজারের জায়গা বন্দোবস্ত দেয়ার নামে এমন অনৈতিক লেনদেন কান্ড ঘটেছে। এর নেপথ্যে রয়েছে রামগতি ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার আবদুল কাদেরের বিরুদ্ধে। স্থানীয় দালালের মাধ্যমে এমন কাজ করেন সার্ভেয়ার।
স্থানীয়রা জানান, সাম্প্রতিক জমিদারহাট কাঁচাবাজার ১৭ টি একসনাবন্দোন্তের প্রস্তাব দেয়া হয়। তবে সার্ভেয়ার যাচাই বাচাই না করে টাকার বিনিময়ে চার থেকে পাঁচ পরিবারের নাম প্রেরণ করেন প্রস্তাবে। সরকারী বিধিমোতাবেক অসংখ্য পরিবার থাকলেও টাকা নেয়ার বিষয়টি ফাঁস হয়ে যাওয়ার ভয়ে ওই পরিবারের নামে প্রস্তাবগুলি দেয়া হয়েছে। এতে স্থানীয়দের মাঝে মিশ্রপ্রতিক্রিয় দেখা দেয়।
নামপ্রকাশ না করার কয়েকজন বাজার ব্যবসায়ী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সার্ভেয়ার ও লোকমানের যোগসাজশে প্রতিবন্দোবন্তের নামে লাখ টাকা করে নেয়া হয়েছে। যেহেতু এখানে এসিল্যান্ড ছিলেন না।এদিকে ডেকোরেশন কামাল, খবির, আরিফ (লোকাল আমিন), জুলপির পরিবারের মাঝে এসকল বন্দোবস্ত দেয়া হয়েছে। যাহা সম্পূর্ণ আইনের পরিপন্থী।
এখানেই শেষ নয়, জমিপরামর্শ দাতারা জানান, বর্তমান আরএস নিয়মে বন্দোবস্তলা দিয়ে পুরলো কারদায় /দিয়ারা পদ্ধতিতে অবৈধভাবে বন্দোবস্ত দেয়া হয়েছে নথিগুলো। তাদের এমন কর্মকান্ত জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের বিতর্কিত করা ছাড়া কিছুই না। ফলে অবৈধভাবে দাখিল করা বন্দোবস্তুগুলো বাতিল করা জরুরী।আবদুল কাদের বলেন, ইতিমধ্যে আমরা ১৭টি একসনা বন্দোবস্ত নথি জেলায় প্রস্তাব দিছি।
রামগতি ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার আবদুল কাদেরএর আগেও সার্ভেয়ার আবদুল কাদের বিরুদ্ধে স্থানীয় এক নেতার মাধ্যমে বান্দেরহাট বাজার থেকে ১৮ লাখ টাকা ও জারিরদোনা পোলের গোন্তর থেকে মোটা অংকের টাকা অভিযোগ রয়েছে
রামগতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দ মোঃ আমজাদ হোসেন বলেন, একনলা বন্দোবস্ত নথিগুলো অধিকতর গুরুত্ব দিয়ে সরকারী বিধিমোতাবেক ভাবে প্রসাব পড়ানো হবে








