সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৪:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
তৃণমূল থেকে উঠে আসা এক আদর্শিক নেতা: তাড়াশের রাজনীতিতে মো. সোলাইমান হোসেন সিহাব স্বাধীনতার প্রথম সূর্যোদয়: যে কক্ষে রচিত হয়েছিল বাংলাদেশের পতাকার নকশা কুষ্টিয়ায় লালন আঁখড়াবাড়ীতে দোল পুর্ণিমা উৎসবের প্রস্তুতি সম্পন্ন  কুষ্টিয়ার মিরপুরে সংসদ সদস্যের সাথে সরকারি কর্মকর্তাদের মতবিনিময়  কুষ্টিয়ায় ট্রেনের নিচে পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত  অভিযোগ ও সংবাদ প্রকাশের পরে তাড়াশ সদর ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী মোঃ আরিফুল ইসলাম পলাশকে শাস্তিমূলক বদলি কমলনগরে নদী কেড়েছে ভিটেমাটি, কাড়তে পারেনি ভালোবাসা: চর কালকিনিতে মাস্টার সাইফুল্লাহর ৩৩ বছরের আস্থার প্রতিচ্ছবি কুষ্টিয়ায় জিকে ক্যানেল থেকে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার পিআরও হিসেবে সাংবাদিক নিয়োগের প্রস্তাব সচিবালয়ে জমা   আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় তিন ভাই গ্রেপ্তার 

রামগতিতে তুচ্ছ ঘটনা: একই বাড়ীর দুপক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, গুরুতর আহত ৮

Reporter Name / ১৯১ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৫

 

মোখলেছুর রহমান ধনু, রামগতি -কমলনগর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি:

​লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে একই বাড়ীর দুপক্ষের মধ্যে এক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আলেকজান্ডার ইউনিয়নের সবুজগ্রাম ৬নং ওয়ার্ডের মিজি বাড়ীতে গতকাল সোমবার সকালে এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ৮ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।

​আহতদের মধ্যে ৬ জন বর্তমানে ঢাকায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে। এই ঘটনায় উভয় পক্ষই রামগতি থানায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেছে।

​সংঘর্ষের সূত্রপাত

​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওহাব আলীর ছেলে রাকিব তাদের বাগানে সুপারির চারা রোপণ করতে গেলে একই বাড়ীর তার চাচাতো ভাই মিজান, সেলিম, জামালসহ ৭/৮ জন তাতে বাধা দেয়। তারা জায়গাটি নিজেদের দাবি করে চারা রোপণে বাধা দিলে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র ঝগড়া শুরু হয়।

​একপর্যায়ে মিজান, সেলিম ও তাদের সহযোগীরা রাকিবকে বেধড়ক পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করলে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। রাকিবকে উদ্ধার করতে এগিয়ে এলে তার বাবা ওহাব মিয়া, বোন লাকি, বোন জামাই মিলন ও ছোট ভাই শাহে আলমকেও তারা মারধর করে গুরুতর আহত করে।

​আহতদের অবস্থা ও অভিযোগ

​সংঘর্ষে রাকিবদের পক্ষের লোকজন বেশি জখম হয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়লে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে নোয়াখালী সদর হাসপাতাল হয়ে বর্তমানে তারা ঢাকায় চিকিৎসাধীন আছেন।

​ভুক্তভোগী পক্ষের ইয়াসমিন বেগম অভিযোগ করেন, জামাল, মিজান ও সেলিম জায়গা-জমি জোরপূর্বক দখলের জন্য প্রায়ই এমন পৈশাচিক হামলা চালায়। তিনি বলেন, “আমার বাবা-ভাই সহ ৬ জনকে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে মাথা ফাটিয়ে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করেছে। তারা আমাদের বাড়ীঘর ভাংচুর করে চাল ও সুপারি সহ অন্যান্য মালামাল লুটে নিয়ে যায়। তাদের অত্যাচারে আমার বাবা-মা এখন বাড়ীতে থাকতে পারছেন না।”

​অন্যদিকে, অভিযুক্ত সেলিম তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমরা আমাদের জায়গায় চারা রোপণে বাঁধা দিয়েছি, তারা উত্তেজিত হয়ে আমাদের উপর হামলা করে।”

​স্থানীয় ইউপি সদস্য জামাল উদ্দিন অভিযুক্ত মিজান ও জামালের বিরুদ্ধে আইন-কানুন না মানার অভিযোগ করেন।

​রামগতি থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: কবির হোসেন এই বিষয়ে জানান, একই বাড়ির দু’পক্ষের মারামারির খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তিনি আরও নিশ্চিত করেন যে উভয় পক্ষই থানায় অভিযোগ দাখিল করেছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর