সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১২:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
তৃণমূল থেকে উঠে আসা এক আদর্শিক নেতা: তাড়াশের রাজনীতিতে মো. সোলাইমান হোসেন সিহাব স্বাধীনতার প্রথম সূর্যোদয়: যে কক্ষে রচিত হয়েছিল বাংলাদেশের পতাকার নকশা কুষ্টিয়ায় লালন আঁখড়াবাড়ীতে দোল পুর্ণিমা উৎসবের প্রস্তুতি সম্পন্ন  কুষ্টিয়ার মিরপুরে সংসদ সদস্যের সাথে সরকারি কর্মকর্তাদের মতবিনিময়  কুষ্টিয়ায় ট্রেনের নিচে পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত  অভিযোগ ও সংবাদ প্রকাশের পরে তাড়াশ সদর ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী মোঃ আরিফুল ইসলাম পলাশকে শাস্তিমূলক বদলি কমলনগরে নদী কেড়েছে ভিটেমাটি, কাড়তে পারেনি ভালোবাসা: চর কালকিনিতে মাস্টার সাইফুল্লাহর ৩৩ বছরের আস্থার প্রতিচ্ছবি কুষ্টিয়ায় জিকে ক্যানেল থেকে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার পিআরও হিসেবে সাংবাদিক নিয়োগের প্রস্তাব সচিবালয়ে জমা   আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় তিন ভাই গ্রেপ্তার 

টানা ৪ দিনের বৃষ্টিতে কমলনগরের বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতা, ফের বন্যার খপ্পরে হাজার হাজার  পরিবার

Reporter Name / ২৪৩ Time View
Update : বুধবার, ৯ জুলাই, ২০২৫

 

 

 

মোখলেছুর রহমান ধনু

রামগতি -কমলনগর (লক্ষ্মীপর) প্রতিনিধি:

 

গত চরদিনের টানা বৃষ্টিপাতের কারনে লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে বিপাকে পড়েছেন এ উপজেলার বাসিন্ধারা।

 

 

 

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় উপজেলার চরকাদিরা, চরমার্টিন, চর লরেন্স, চরফলকন ও তোরাবগঞ্জ ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে টানা বৃষ্টিপাতের ফলে জলাবদ্ধতা তীব্র আকার ধারণ করেছে। এতে শত শত বাড়ি-ঘরে পানি উঠেছে এবং চলাচলের সড়ক পানির নিচে তলিয়ে আছে। এতে আমনের বীজতলা ও পানের বরজ নষ্ট হয়েছে এবং ভেসে গেছে পুকুরের মাছ। হাঁস-মুরগিসহ গবাদিপশু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন তারা । তারা আশঙ্কা করছেন গতবছরের মতো এবারো বন্যার সম্মুখীন হচ্ছেন তারা।

 

 

 

চরকাদিরা ইউনিয়নের বাসিন্ধা আবু কালাম , আবদুল মান্নান, ও রহিম  জানান, টানা কয়েকদিনের বৃষ্টিপাতের কারনে এখানে জলাবদ্ধতা তৈরী হয়েছে। আমাদের বাড়িঘর ডুবে আছে। রাস্তাও চলাচলের অবস্থায় নেই তলিয়ে গেছে। পানি না নামার কারনে ক্রমেই এটি তীব্র হচ্ছে। আমরা মনে হয় গত বছরের মতো এবারো বন্যার সম্মুখীন হচ্ছি।

 

 

 

কমলনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ রাহাত উজ জামান বলেন, ‘অতিবৃষ্টির কারনে বিভিন্ন এলাকায় কিছু ঘরবাড়ি ডুবে যাওয়ার খবর পেয়েছি। বন্যার আশঙ্কায় আমরা আশ্রয়কেন্দ্রগুলো প্রস্তুত করছি।’

 

 

 

উল্লেখ্য গতছর ২০২৪ এর আগস্টে ফেনী, লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালী অঞ্চলের সঙ্গে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় কমলনগরের উপকূলীয় এলাকায়। এতে  ক্ষতিগ্রস্ত হয় প্রায় ৬০ শতাংশ মানুষ। জলাবদ্ধতা নিরসনে সরকারি উদ্যোগে খাল খনন শুরু হলেও সেখানে তেমন কোনো অগ্রগতি হয়নি।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর