মোঃ জুলহাজুল কবীর নবাবগঞ্জ, দিনাজপুর।
দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার ৭ নং দাউদপুর ইউনিয়নের উত্তর মুরাদপুর (দক্ষিণ পাড়া) গ্রামে ১৬ ডিসেম্বরের অনুষ্ঠান পালনে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী দোসরদের হামলায় ৭/৮ জন আহত হয়েছে তার মধ্যে ৩ জনের জখম গুরুতর বলে জানিয়েছে প্রত্যক্ষদর্শীরা।
এলাকার ৫/৬ গ্রামের সম্মিলিত লোকজন, থানা পুলিশ ও গ্রামবাসী জানায়,১৮ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার বেলা ৩ টায় গ্রামের উৎসুক যুবক- গ্রামবাসীর উদ্যোগে ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে খেলা-ধুলা ও বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠান চলাকালীন সময়ে গ্রামের শিশু- কিশোররা যেমন খুশী তেমন সাজো (মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি চারণের উদ্দেশ্যে মুক্তিযোদ্ধা সাজে) সেজে স্টেজের দিকে আসতে থাকে, ঐ সময় পাক বাহিনীর গোলাগুলির চিত্র ফুটে তুলতে গাঁটা ফোটানো হয়।
গাঁটা ফোটানোকে কেন্দ্র করে তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে গ্রামের নিরীহ গ্রামবাসীর সাথে একই গ্রামের একই পরিবারের চিহ্নিত মাদক বিক্রেতা,চোরাই মাল ক্রেতা (ভাংড়ী ব্যবসায়ী) ও তাসের মাধ্যমে জুয়া বসিয়ে এলাকায় অপরাধ বাড়ানোর কারিগররা ৬/৭ জন বিবাদে লিপ্ত হলে ৩ জন গুরুতর জখমসহ ৭/৮ জন আহত হয়।
খবর পেয়ে নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ঘটনার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এলাকাবাসী পুলিশের কাছে দাবী জানায়, এরা মাদক ব্যবসা ও ভাংড়ী ব্যবসার মাধ্যমে আমাদের গ্রামসহ আশপাশের গ্রামের যুবসমাজ ধ্বংস করছে। এরা ৩ ভাই ও এদের ২ ছেলে বংশানুক্রমে মাদক ব্যবসায়ী, এরা বিভিন্ন প্রকার সমাজ ও দেশ বিরোধী অপরাধের সাথে জড়িত থেকে জীবিকা নির্বাহ করে। এরা মাদক বিক্রি করে,আবার মাদকাসক্তদের কাছথেকে চোরাই মাল ক্রয়ের ব্যবসাও করে।
গ্রামবাসীসহ এলাকাবাসী তাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীরভাবে উদ্বেগ প্রকাশ করে জানায়, এরা ফ্যাসিস্ট আওয়ামী দোসর। এরা গ্রামসহ অত্র এলাকায় মাদক বিস্তারের কাজে লিপ্ত থেকে সমাজে অপরাধ সৃষ্টির মাধ্যমে সমাজ তথা পরিবারে পরিবারে অশান্তি সৃষ্টির কাজে লিপ্ত, এদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবী করেন তারা।
ঘটনার বিষয়ে পৃথক পৃথক অভিযোগ দায়ের হয়েছে ।
থানা পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, উভয় পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনার বিষয়ে বিভিন্ন ভাবে তদন্ত চলছ। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।