মোখলেছুর রহমান ধনু
রামগতি -কমলনগর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি :
লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে জাগরণীস্কুল সড়কের সংস্কার কাজ না করে বিল উত্তোলনের অভিযোগ ওঠেছে উপজেলা এলজিইডির বিরুদ্ধে। এমনটি ঘটেছে উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড এমন ঘটনা ঘটে। কাগজে-কলমে বাস্তবায়ন দেখালেও বাস্তবে জাগরণী স্কুল সড়ক বাস্তব চিত্র ভাঙাগড়া আগের মতোই। ফলে হাজার হাজার মানুষ ভোগান্তিতে।
স্থানীয় জাগরণী স্কুল সড়কের বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, দীর্ঘ তিন যুগের বেশি সময় ধরে জাগরণী স্কুল সড়কটি সলিং ভেঙে যাতায়াত ও চলাচল অনুপযোগী। দীর্ঘদিন মানববন্ধ, স্বারকলিপি ও আবেদন জমা দিয়ে কোন কাজ হয়নি। সর্বশেষ জাগরণী স্কুল সড়ক- চরলরেন্স পর্যন্ত একটি বাজেট হলেও প্রকৃত সড়কে কাজ না করে উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী প্রভাব খাটিয়ে বরাদ্ধকৃত সড়ক থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে আমজাদিয়া সড়ক সংস্কার কাজ করেন। এতে প্রকৃত ভাবে কাগজে-কলমে থাকা সড়কটি সংস্কার না করায় ১০ হাজার মানুষ দুর্ভোগে পড়েছে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য খোরশেদ মেম্বার বলেন, আমি এই সড়কটি নিয়ে উপজেলা পরিষদে গিয়ে প্রকৌশলী সোহেল আনোয়ারের সাথে কথা বলে আইডি ঠিক করে দিয়ে আসছি। বর্তমানে তিনি চাঁদপুর উত্তর মতলব উপজেলায় কর্মরত। আমার ধারণা উপজেলা প্রকৌশলী সরকারের বরাদ্ধে টাকা আত্মসাৎ করে এতবড় অনিয়ম করেছেন। আমরা এ অনিয়মের সর্বোচ্চ বিচার দাবি করছি।
একই ভাবে ক্ষোভপ্রকাশ করে ড. ফজলুল করিম বলেন, আমাদের জাগরণী স্কুল সড়ক বরাদ্ধ হয়েছে। একটি অসৎ কর্মকর্তা ও প্রকৌশলী তিনি অন্য সড়কে কাজটি বাস্তবায়ন করেছেন। আমাদের প্রায় ৮৫ লক্ষ টাকার বাজেটের কাজ অন্য সড়কে নয়-ছয় করে লাখ লাখ টাকা লুটে নিয়েছেন।
এদিকে কমলনগর উপজেলায় প্রভাব খাটিয়ে এক সময়ের‘ প্রকল্পে নিয়োগ পাওয়া’ একর্মকর্তা অসংখ্য অনিয়ম করেছেন। তার বিরুদ্ধে জাতীয় দৈনিকে অসংখ্য রিপোর্ট ছাপা হয়েছে।
অভিযোগ অস্বীকার করে কমলনগর উপজেলা প্রকৌশলী সোহেল আনোয়ার বলেন, ভুল বশতঃ জাগরণী স্কুলের নাম এসেছে। প্রকৃতপক্ষে আমজাদিয়া সড়কে বরাদ্ধ সেখানেই কাজ বাস্তকবায়ন করা হয়েছে।
কমলনগর উপজেলা প্রকৌশলী মোহাম্মদ আব্দুল কাদের মোজাহিদ বলেন, আমি এই কর্মস্থলে সদ্য যোগদান করেছি। এটি পূর্বের প্রকৌশলী কাজ করেছেন। অনিয়ম করে থাকলে তিনিই করেছেন। আমি এবিষয়ে অবগত নই।