ফিরোজ আল আমিন
নিজস্ব প্রতিনিধি:
সিরাজগঞ্জ জেলা দলিল লেখক সমিতির নির্বাচনে সিনিয়র সহসভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন তাড়াশের জহুরুল মহুরী। শনিবার অনুষ্ঠিত জেলা দলিল লেখক সমিতির নির্বাচনে তিনি এ পদে নির্বাচিত হন।
জহুরুল মহুরী দীর্ঘদিন ধরে দলিল লেখক পেশার সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। পেশাগত কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি দলিল লেখকদের সংগঠিত করা এবং তাদের বিভিন্ন সমস্যা ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে ভূমিকা রাখার কারণে স্থানীয় দলিল লেখকদের কাছেও তিনি পরিচিত মুখ। বর্তমানে তিনি তাড়াশ দলিল লেখক সমিতির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।
জেলা পর্যায়ের সংগঠনে সিনিয়র সহসভাপতি পদে নির্বাচিত হওয়ায় তাড়াশের দলিল লেখকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে। নির্বাচনের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সহকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, দলিল লেখকদের পেশাগত কর্মকাণ্ডের সঙ্গে নানা ধরনের প্রশাসনিক ও আইনগত বিষয় জড়িত। এ কারণে পেশাগত স্বার্থ সংরক্ষণ, কাজের পরিবেশ, বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। জেলা দলিল লেখক সমিতির নতুন নেতৃত্ব এ বিষয়গুলোতে ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশা করছেন।
জহুরুল মহুরীর নির্বাচিত হওয়াকে তাড়াশের দলিল লেখকদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে দেখছেন তার সহকর্মীরা। তাদের প্রত্যাশা, জেলা পর্যায়ের সংগঠনে দায়িত্ব পাওয়ার মাধ্যমে তিনি তাড়াশসহ জেলার বিভিন্ন এলাকার দলিল লেখকদের সমস্যা ও দাবিগুলো আরও কার্যকরভাবে তুলে ধরতে পারবেন।
স্থানীয় দলিল লেখক ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে দলিল লেখক পেশার সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিজ্ঞতা জহুরুল মহুরীর রয়েছে। তাড়াশ দলিল লেখক সমিতির সভাপতির দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতাও জেলা পর্যায়ের সংগঠনে দায়িত্ব পালনে তাকে সহায়তা করবে। নতুন দায়িত্বে তিনি দলিল লেখকদের পেশাগত মর্যাদা, অধিকার ও কল্যাণে ভূমিকা রাখবেন—এমন প্রত্যাশা তাদের।
এদিকে নির্বাচনে সিনিয়র সহসভাপতি পদে নির্বাচিত হওয়ায় জহুরুল মহুরী সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের পাশাপাশি দলিল লেখকদের পেশাগত স্বার্থ ও অধিকার রক্ষায় কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
জেলা দলিল লেখক সমিতির নতুন নেতৃত্বকে ঘিরে জেলার দলিল লেখকদের মধ্যেও প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। তারা মনে করছেন, পারস্পরিক সহযোগিতা, সমন্বয় ও আলোচনার মাধ্যমে সংগঠনকে আরও কার্যকরভাবে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।