মোঃ এরশাদ আলী, লংগদু প্রতিনিধি :
রাঙ্গামাটির লংগদু উপজেলাধীন মাইনীমুখ ইউনিয়নের পূর্ব জারুল বাগান নিবাসী রাহিমা বেগমের ডান পায়ের পঁচন ধরে গলে গলে পড়ছে। অর্থের অভাবে চিকিৎসা করতে পারছেন না গনি মিয়ার বিধবা স্ত্রী। ডাক্তার দ্রুত পা টি কেটে ফেলতে বলেছেন, না সারা শরীরে পঁচন ধরে যাবে।
"মানুষ মানুষের জন্য " এলাকার স্বামীহীন হতদরিদ্র এক মহিলা রাহিমা বেগম। একমাত্র ছেলে মন্নাছ মিয়া, যিনি জীবিকার তাগিদে অন্যের জাল-নৌকায় জেলে হিসেবে কাজ করে সংসারের চালায়। তারপরও নিজের সবটুকু চেষ্টা করে মা কে নিয়ে রাঙ্গামাটি সদর হাসপাতালে যান একমাত্র ছেলে মন্নাছ। সেখানে ডাক্তার রুগী দেখে, দ্রুত পা কাটার জন্য পরামর্শ দেন। কিন্তু ডাক্তার দেখানোর পর আজ প্রায় দেড় মাস হয়েগেলো! অভাবের তারনায় মায়ের চিকিৎসা করতে পারছেন না!
মন্নান মিয়া বলেন, কি করবো দৈনন্দিন সংসারে চাহিদা পূরণ করতেই হিমসিম খাচ্ছি, আর মাকে উন্নতমানের চিকিৎসা তো শুধুই স্বপ্ন।
তিনি বলেন, ছেলে হিসেবে মায়ের জন্য কিছুই করতে পারছিনা। আমার চারটা বোন ছিলো, তাদেরও বিয়ে দিয়েছি গরিব দেখে। বোন জামাইরাও তেমন স্বচ্ছল নয়, তারা মানুষের কাজকর্ম করে কোনভাবে দিন পার করে। তাই আমি মাকে বাচাঁতে মানুষের কাছে হাত বাড়িয়েছি। ডাক্তার বলছে এক লাখ টাকার মতো লাগবে তাহলে মায়ের পা কেটে ওষুধ খেলে ভালো হয়ে যাবে। কিন্তু এই টাকা কোথায় পাবো? যদি আপনারা সবাই মিলে সহযোগিতা করেন, আল্লাহ পাক আমার মাকে বাচিয়ে রাখবে।
একমাত্র ছেলের আকুতি, দয়াকরে আপনারা আমার মাকে বাচাঁন। আমার মোবাইল নাম্বার বিকাশ এবং নগদ 01537475247 আপনাদের সহযোগীতা পেলে আমার মা সুস্থ হয়ে যাবেন। আমরা ফিরে পাবো আমাদের মাকে। হয়তো আপনাদের সহায়তায় আরও কিছু দিন মাকে মা বলে ডাকতে পারবো। সবার কাছেই বিনীত অনুরোধ করছি আপনারা সবাই আমার মাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন।