মোখলেছুর রহমান ধনু
রামগতি (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি :
লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে আটটি পরিবারের শত বছরের চলাচলের রাস্তা কেটে দিলেন চট্রগ্রাম হালিশহর থানার এএসআই ইউসুফ।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার চরআলগী ইউনিয়নের ৫নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ পূর্ব চর সেকান্দর গ্রামের আশ্রাব আলী মতাগো বাড়িতে।
স্থানীয়রা ও ভূক্তভোগী পরিবারগুলো জানায়, তাদের বাড়ির বাহির হওয়ার রাস্তাটি প্রায় শত বছরের পুরনো। এ পথ দিয়ে ১০ টি পরিবারের প্রায় শতাধিক লোকজন চলাচল ও যাতায়াত করে থাকেন। ওই রাস্তার পাশেই চট্রগ্রাম হালি শহর থানার এএসআই ইউসুফের নতুন নির্মিত একটি ঘরও বাড়ি রয়েছে। ঘরের পাশে তার কিছু কৃষি জমি থাকায় গত ৬ আগস্ট মঙ্গলবার দারোগা ইউসুফ বাড়িতে এসে ঐ রাস্তার ভিতর তিনি জমি পাবেন বলে দাবী করে রাস্তায় কাউকে চলাচল করতে দিবেনা মর্মে সে নিজে ও তার ভাই মিলাদ, ওজি উল্যাহ, সোহেল সহ তার পরিবারে লোকজন দা ছেনি ও লাঠিসোঠা নিয়ে ভূক্তভোগী পরিবারের চলাচলের রাস্তটি কেটে দেয়। এ সময় রাস্তা ব্যবহারকারী পরিবারগুলো বাধা দিলে তারা তাদের উপর অতর্কিত হামলা করে। দারোগা ইউসুফদের সংঘবদ্ধ হামলায় ফারুক, নাজমা বেগম সহ বেশ কয়েকজন আহত হয়। এতে ঐ পরিবারগুলো গত তিন ধরে ঘরবন্দি হয়ে পড়ে। পুলিশের ক্ষমতায় অসহায় পরিবারগুলো থানা পুলিশে অভিযোগ করতেও ভয় পাচ্ছে বলে জানায়।
এএআই ইউসুফ চরআলগী ইউনিয়নের পূর্ব চর সেকান্দর গ্রামের নাজমুল হুদার ছেলে।
ভূক্তভোগী ফারুক জানায়, দারোগা ইউসুফ আমাদের চাচাতো ভাই হয়। আমরা একই পরিবারের লোক। আটটি বাড়ির শ খানেক লোকের চলাচলের রাস্তাটি শত বছরের পুরনো। সে তার দারোগার ক্ষমতা দেখাতে গিয়ে গত পরশু বৃহস্পতিবার সকাল ৬টার সময় তার সহোদর ভাই মিলাদ ও পরিবারের অপরাপর লোকজন নিয়ে দা ছেনি লাঠিসোটা সহ রাস্তাটি কেটে দেয়। এতে আমরা চলাচলকারীরা মারাত্নক দুর্ভোগে পড়ি।
এএসআই ইউসুফের কাছে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় শুনে ব্যস্ত আছেন বলে ফোন কেটে দেন।
থানার অফিসার ইনচার্জ মো কবির হোসেন বলেন, দু পক্ষের কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।