বুলবুল আহম্মেদ (বুলু), বদলগাছী (নওগাঁ) প্রতিনিধি:
নওগাঁর বদলগাছীতে স্ত্রী ও সন্তানের স্বীকৃতি এবং ভরণপোষণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মুক্তা পারভীন নামে এক নারী। বৃহস্পতিবার বদলগাছী উপজেলায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মুক্তা পারভীন দাবি করেন, উপজেলার সদর ইউনিয়নের ভাতশাইল গ্রামের জছির উদ্দীনের ছেলে কিবরিয়ার সঙ্গে তার পূর্বে বিবাহ হয়েছিল। পরবর্তীতে একই গ্রামের মৃত মতিন চৌধুরীর ছেলে ও রাজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তাক আহমেদের সঙ্গে তার পরিচয় ও সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তিনি অভিযোগ করেন, বিষয়টির সমাধানের লক্ষ্যে ২০১৮ সালের ৮ জুন ৪ হাজার ৯৯৯ টাকা দেনমোহরে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয় এবং পরবর্তীতে তারা একসঙ্গে সংসার করেন।
মুক্তা পারভীনের দাবি, সংসার জীবনে তাদের একটি কন্যাসন্তানের জন্ম হয়। তিনি আরও জানান, মোস্তাক আহমেদের পরামর্শে তিনি তার পূর্বের স্বামীকে তালাক দেন এবং চলতি বছরের ৩০ জানুয়ারি ১০ লাখ টাকা দেনমোহরে পুনরায় বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমানে মোস্তাক আহমেদ তাকে ও তার সন্তানকে স্বীকৃতি দিতে অনীহা প্রকাশ করছেন এবং দীর্ঘদিন ধরে ভরণপোষণও বন্ধ রেখেছেন। এতে তিনি ও তার সন্তান মানবেতর জীবনযাপন করছেন বলে দাবি করেন। তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এ বিষয়ে মোস্তাক আহমেদের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, "আমি তাদের ভরণপোষণ দিয়ে আসছি। আমার প্রথম স্ত্রী রেবেকা সুলতানা আমাদের সম্পর্ক মেনে না নেওয়ায় কিছু সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে।"
এ ঘটনায় এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তবে উভয় পক্ষের বক্তব্যের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।