ফিরোজ আল আমিন, নিজস্ব প্রতিনিধি:
আসন্ন ৪নং মাগুড়াবিনোদ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে। এই নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে এলাকায় ব্যাপক আলোচনায় রয়েছেন রাজপথের লড়াকু সৈনিক ও সাবেক তুখোড় ছাত্রনেতা খন্দকার গোলাম কিবরিয়া উজ্জ্বল। পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে তিনি ইতোমধ্যে নির্বাচনী মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন।
তৃণমূলের রাজনীতি থেকে উঠে আসা খন্দকার গোলাম কিবরিয়া উজ্জ্বল একজন উচ্চশিক্ষিত ও সজ্জন ব্যক্তিত্ব। তিনি কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামী স্টাডিজ বিভাগ থেকে প্রথম শ্রেণীতে এম.এ (মাস্টার্স) ডিগ্রী অর্জন করেন। ৯০-এর এরশাদ বিরোধী গণআন্দোলনে তিনি রাজপথে সম্মুখ সারিতে থেকে তুখোড় ছাত্রনেতা হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।
দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে তিনি অত্যন্ত সততা ও নিষ্ঠার সাথে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি তাড়াশ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ শাখা ছাত্র সংসদের সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল তাড়াশ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ শাখার সাবেক আহবায়ক হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি জাতীয়তাবাদী যুবদল তাড়াশ উপজেলা শাখার সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ৪নং মাগুড়াবিনোদ ইউনিয়ন শাখার সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক এবং তাড়াশ উপজেলা বিএনপির সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক হিসেবে দলের দুঃসময়ে রাজপথে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
রাজনীতির পাশাপাশি ক্রীড়াঙ্গনেও তার সুখ্যাতি সর্বজনবিদিত। তিনি সিরাজগঞ্জ জেলা ফুটবল দলের একজন সাবেক কৃতি ফুটবলার ছিলেন। মাঠ কাঁপানো এই ফুটবলার ক্রীড়া ও যুব সমাজ গঠনে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছেন।
স্থানীয় সুশীল সমাজ ও সাধারণ ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, খন্দকার গোলাম কিবরিয়া উজ্জ্বল একজন সৎ, কর্মঠ এবং বিপদে-আপদে সাধারণ মানুষের পাশে থাকা নেতা। ইউনিয়নের উন্নয়নে এমন একজন যোগ্য ও উচ্চশিক্ষিত অভিভাবক প্রয়োজন বলে মনে করছেন সাধারণ ভোটাররা। ৪নং মাগুড়াবিনোদ ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনসাধারণ তাকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
নিজের প্রার্থিতা ও ইউনিয়নের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে খন্দকার গোলাম কিবরিয়া উজ্জ্বল বলেন, “আমি সবসময় মাগুড়াবিনোদ ইউনিয়নের অবহেলিত মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে ছিলাম এবং ভবিষ্যতেও আমৃত্যু থাকতে চাই। দলমত নির্বিশেষে এই ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, দুর্নীতিমুক্ত, বৈষম্যহীন এবং মাদকমুক্ত মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলাই আমার প্রধান লক্ষ্য। আমি মাগুড়াবিনোদ ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনসাধারণের দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন প্রত্যাশা করছি।”