নিজস্ব প্রতিনিধি
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার বিভিন্ন অংশে বুধবার (১ এপ্রিল) পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থী ও নারীসহ সাতজন নিহত হয়েছেন। এসব দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত চারজন। নিহতদের মধ্যে দাউদকান্দিতে ২ জন, বুড়িচংয়ে ২ জন, চৌদ্দগ্রামে ২ জন এবং চান্দিনায় ১ জন রয়েছেন।
হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার ভোরে দাউদকান্দি উপজেলার কানড়া এলাকায় অজ্ঞাত একটি গাড়ির চাপায় দুই অটোরিকশা চালক নিহত হন। নিহতরা হলেন— সরকারপুর গ্রামের মো. আবদুল বারেক (৪২) ও একই এলাকার মো. মোস্তফা (৪০)। এ ঘটনায় নবীর হোসেন, কাওসার, ইসমাইল ও সাগর মিয়া নামে আরও ৪ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।
একই দিন ভোরে বুড়িচং উপজেলার নিমসার বাজার সংলগ্ন ইউটার্নে অপর এক দুর্ঘটনায় দুই যুবকের মৃত্যু হয়। নিহতরা হলেন— নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার লালপুর গ্রামের মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম ওরফে মইন (২৭) এবং মেহেরপুর সদর উপজেলার কেশবপুর গ্রামের মো. সোহেল রানা (৩৫)।
সকাল সাড়ে ৯টার দিকে চান্দিনা উপজেলার কাঠেরপুল এলাকায় রাস্তা পার হওয়ার সময় লরির চাপায় নিহত হয় ইবনে তাইম নামে নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী। সে চান্দিনা পৌরসভার রাড়িরচর এলাকার বাবুল মিয়ার ছেলে এবং বড় গোবিন্দপুর আলী মিয়া ভূঁইয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র ছিল। কোচিং শেষে বাড়ি ফেরার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর এলাকাবাসী ঘাতক লরিটি আটক করেছে।
এদিকে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা সদরে অজ্ঞাত গাড়ির ধাক্কায় হাজেরা বেগম (৬৫) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন। এছাড়া ভোরে ওই উপজেলার বাতিশা এলাকায় ওমর ফারুক (৪৮) নামে এক ব্যক্তি নিহত হন। তার বাড়ি নোয়াখালীর সেনবাগের কাবিলপুর গ্রামে।
হাইওয়ে পুলিশের কুমিল্লা অঞ্চলের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহিনুর আলম খান জানান, নিহতদের মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। দুর্ঘটনা কবলিত যানবাহনগুলো শনাক্ত ও আটকের চেষ্টা চলছে।