আশরাফুল ইসলাম রনজু তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি:
রাজশাহীর তানোরে জ্বালানি তেলের জন্য পাত্র হতে পাম্পে অপেক্ষার দীর্ঘ লাইন কৃষকদের। ৪ ঘন্টা থেকে ৫ ঘন্টা অপেক্ষার পরও তেল না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন শত শত কৃষক। তেল দেয়ার খবরে পাম্পের সামনে আগে থেকেই (ভোর) থেকে পাত্র হাতে যারা অপেক্ষা করছেন তারাও চাহিদা মত তেল পাচ্ছেন না। ৩শ’ টাকা থেকে ৫শ’ টাকার তেল নিয়ে ফিরে যেতে হচ্ছে কৃষকদের। চাহিদামত তেল না পাওয়া কৃষকরা
হতাশ হয়ে ফিরে যাওয়ার সময় এসব কৃষকদের চেহারায় ফুটে উঠছে হতাশার ছাপ।
তানোর উপজেলা কৃষি প্রধান এলাকায় পুরো দমে চলছে আলু উত্তোলন স্টোরজাত করন ও বোরো চাষ ও ধান রোপন। এসব কৃষি কাজে ব্যবহৃত কৃষি যন্ত্রের তেল পেতে কৃষকরা ছুটছেন এই পাম্প থেকে ওই পাম্প। যখন যে পাম্পে তেল দেয়ার খবর পাচ্ছেন সেই পাম্পে ছুটছেন কৃষকসহ মটরসাইকেলসহ চালকরা। তেল দেয়া শুরুর আগেই ভোর থেকে পাম্পের সামনে মটরসাইকেল ও ভুটভুটিসহ তেলের পাত্র হাতে কৃষকদের দীর্ঘ লাইন চোখে পড়ছে। তেল পেতে বাক বিতন্ডার পাশাপাশি হুড়াহুড়ি ও ঠেলাঠেলিসহ ঘটছে ছোট খাট মারামারির ঘটনাও।
সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, আমেরিকা-ইরাক যুদ্ধের কারনে বাংলাদেশে তেল সংকটের আশঙ্কায় সারা দেশের মত তানোরের কৃষকসহ জ্বালানি তেলের ব্যবহার কারীরা তেল সংগ্রহ করে অনেকেই মজুদ করতে শুরু করেন। ফলে, পাম্প গুলো গ্রাহকদের চাহিদামত জ্বালানি তেল সরবরাহে ব্যর্থ হচ্ছেন। যে পাম্প গুলো এক গাড়ি তেল বিক্রি করতেন ১০ দিন থেকে ১৫ দিনে সেই পাম্প গুলোতে তেল আসার দিনেই শেষ হয়ে যাচ্ছে তেল। তেলের সরবরাহের তুলনায় চাহিদা মেটাতে পাম্প গুলো ২শ’ টাকা থেকে ৩শ’ বা ৫শ’ টাকা পর্যন্ত তেল দিচ্ছেন।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে তানোরের মুন্ডুমালা পৌর এলাকা মেসার্স সাইন ফিলিং স্টেশনে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, দীর্ঘ লাইনে দাড়িয়ে থাকা মটরসাইকেলে ৫শ’ টাকার করে পেট্রোল দেয়া হলেও অকটেন নেই। অপর দিকে ভুটভুটি ও ট্রলির দীর্ঘ লাইনের পাশাপাশি পাওয়ার ট্রিরাল ও কৃষি যন্ত্রের পাত্রেরও দীর্ঘ লাইনে রেখেছেন কৃষকরা। ডিজেল দেয়া হচ্ছে ৩শ’ টাকার করে।